বিদেশ শিক্ষা

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের দ্য ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সামিটে অংশগ্রহণের সুযোগ

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দ্য ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সামিটে অংশগ্রহণের সুযোগ দিচ্ছে যুক্তরাজ্যে। “ওয়ান ইয়াং ওয়ার্ল্ড স্কলারশিপ’’-এর আওতায় নির্বাচিত ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের এ স্কলারশিপ দেওয়া হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৯০টির বেশি দেশের শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবেন।

এ ছাড়া যাঁরা দেশে বা বিদেশে শিক্ষা ও দক্ষতা বাড়িয়ে কাজ করতে চান, তাঁরাও এই বৃত্তির আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি ২০২৩।

দ্য ওয়ান ইয়ং ওয়ার্ল্ড সামিট-টি যুক্তরাজ্যের বেলফাস্টে আগামী ২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। নেতৃত্বের দক্ষতাসম্পন্ন তরুণ, যাঁরা জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট সমস্যা মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ নিতে চান, তাঁদের জন্যই এই স্কলারশিপ।

সুযোগ-সুবিধাসমূহ:
•    প্রোগ্রামের সম্পূর্ণ খরচ বহন করা হবে।
•    বিমানে যাওয়া–আসার খরচ প্রদান করবে।
•    প্রোগ্রাম চলাকালীন সময় হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করবে।
•    প্রোগ্রাম চলাকালীন সময় ক্যাটারিং, সকালের নাশতা, দুপুর ও রাতের খাবারের ব্যবস্থা।

যোগ্যতাসমুহ:
•    আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
•    চলতি বছরের ২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের বেলফাস্টে অনুষ্ঠেয় দ্য ওয়ান ইয়াং ওয়ার্ল্ড সামিটে সার্বক্ষণিক থাকার মানসিকতা থাকতে হবে।
•    ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য প্রমাণিত প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে।
•    নেতৃত্বের দক্ষতা থাকতে হবে।
•    স্থানীয় ও বৈশ্বিক বিষয় সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
•    জলবায়ু ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ বা শিক্ষা এবং দক্ষতাভিত্তিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য প্রভাবশালী ও উদ্ভাবনী সমাধান তৈরির রেকর্ড থাকতে হবে।

প্রোগ্রামে যা যা থাকবে:
•    কার্বন নির্গমন হ্রাস করে এমন প্রচেষ্টা করা, একটা মাপকাঠি নির্দিষ্ট করা।
•   প্রযুক্তি, সক্রিয়তা, অনুষ্ঠান, নীতি, প্রাকৃতিক সমাধান বা অন্যান্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব হ্রাস করা।
•    জলবায়ু মোকাবিলার পদক্ষেপ নিতে সম্প্রদায়ের মধ্যে বা বিশ্বজুড়ে ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন।
•   জলবায়ু পরিবর্তন-সম্পর্কিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব হ্রাস এবং স্থিতিস্থাপকতা জোরদার করার জন্য পরিকল্পনা ও কৌশল তৈরি।
•    দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনীতির কারণে যারা পিছিয়ে আছে, তাদের জন্য শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
•    মেধার ঘাটতি আছে, এমন এলাকাসহ ভবিষ্যত কর্মশক্তির জন্য প্রস্তুত করতে দক্ষতা বিকাশ বা শেখার সুযোগ।
•    উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান, নতুন ধরনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা কর্মসংস্থানের ঐতিহ্যগত বাধা অতিক্রম করার সুযোগ।

আবেদন প্রক্রিয়া: অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

আবেদনের শেষ সময়: ৩১ জানুয়ারি ২০২৩।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *